মেনু নির্বাচন করুন

সাম্প্রতিক অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমের ৯৫% ই-নথির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হওয়ায় সেবাগ্রহীতারা দ্রুত সেবা পাচ্ছে।

দক্ষ ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ ২১,৭৯,৬৪,৪৫১ টাকা (সাধারণ খাতে) এবং ২,৮৯,১৯,৩০৩ (সংস্থা খাতে) টাকা আদায় হওয়ায় সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

নোয়াখালী খালের ০৬ কি.মি. অবৈধ দখল উদ্ধার করে পুন:খনন করায় নোয়াখালীর জলাবদ্ধতা বহুলাংশে নিরসন হয়েছে।

মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন ১২৮৬টি পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহ প্রদান কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে ৮৫৫ টি পরিবারকে গৃহপ্রদান করা হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে রেকর্ডরুমের সেবা সহজিকরণ করা হয়েছে যার ফলে সেবা গ্রহীতারা তাদের নিজ ঘরে বসে সেবা পাচ্ছেন।

জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ (ইংরেজি ভার্সন) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন পরিচালিত প্রভাতী শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে 'মুজিব গ্যালারি' স্থাপন করায় শিশুরা জাতির পিতা সম্পর্কে জানতে পারছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনা সমুন্নত রাখতে 'মুজিব কর্নার' ও  'মুজিব চত্বর' স্থাপন করা হয়েছে।

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ২০২৫ সালের মধ্যে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ১০০% দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দৈনন্দিন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়ন করা হবে;

সরকারি ভূমির যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত মামলা  নিরসনপূর্বক ১০০% অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে;

২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ (বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন, মাদক, যৌতুক ও ইভটিজিং) ৫০% কমিয়ে আনা হবে।

 

২০২১-২২ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ

  • নোয়াখালীর সকল পৌরএলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খালের অবৈধ দখল ১০০%  উচ্ছেদ
  •  ভিক্ষুক, অসহায় ও অস্বচ্ছল মানুষের পুনর্বাসন
  • কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর ও হাতিয়া উপজেলার ১৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ
  • জেলার ০৯  টি উপজেলায় ডিজিটাল রেকর্ড রুম স্থাপন
  • ২৪০০ ভূমিহীন পরিবারকে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান
  • ১৫০০ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান