মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

নোয়াখালীর মৃৎশিল্প
 

বাংলার মৃৎশিল্প কুটির শিল্পেরই একটি অংশ। এক সময় এ শিল্পের জন্য বাংলাদেশের গর্ব ছিল। নোয়াখালী ভূ-খন্ডে জনবসতি স্থাপনের আদিপর্ব থেকে গৃহস্থালীর জন্য মাটির তৈরী জিনিসপত্রের চাহিদা শুরু হয়। ক্রমশঃ মৃৎ শিল্পের কারিগরগণ আসেন এবং বসতি স্থাপন করেন। ফলে এ জেলার প্রতি উপজেলায় কুমোর বাড়ি দেখা যায়। কুমোরগণ কয়েক পুরুষ থেকে হাড়ি- পাতিল, মিটকি, কলস, বদনা, বইয়াম, মুচি বাতি, আগুনের বোশি প্রভৃতি গৃহস্থালীর অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং মেলার জন্য মাটির রঙ-বেরঙের খেলনা তৈরী করেন। বাড়ির মহিলারাও মৃৎশিল্পের শ্রমিক। তারা মাটির সামগ্রী তৈরীর পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজাইনের রঙ করতেন। মাটির সামগ্রীর মাঝে মৃৎশিল্পীদের বিভিন্ন ডিজাইনের রঙের ছোঁয়া আমাদের মনকে পুলকিত করে তোলে।

 

অষ্টাবিংশ শতাব্দীর শেষ ত্রিশ দশকে এই নোয়াখালী জেলার গোড়াপত্তন হলেও তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী কুমিল্লার একটি অংশ ছিল।আর সেই থেকে নোয়াখালী জেলা নামকরণের আগ পর্যন্ত কুমিল্লা কেন্দ্রিক নগর সভ্যতা ও বিভিন্ন সময়ে আবিস্কৃত পূরাকীর্তির সাক্ষ্যি এই জেলা।

 

প্রতিমা তৈরীর কারিগরঃ

হিন্দু সম্প্রদায় মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরী করে এবং অর্চনা করে। তাই প্রতিমা তৈরীতে মৃৎশিল্পের অবদান অনস্বীকার্য এবং যুগ যুগ ধরে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে তা গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে আসছে। নোয়াখালীতে দূর্গা প্রতিমার কিছু কারিগর আসে ধর্মপুর থেকে আর বাকী সব কারিগর আসে ফরিদপুর জেলা থেকে।

 

ব্যবহৃত মাটির উৎসঃ নোয়াখালী জেলার জমিদার হাট সংলগ্ন পপুলার বিস্কুট ফ্যাক্টরীর সামনের জমি থেকে কিনে আনা হয়। কারণ এ অঞ্চলে এ মাটি পাওয়া যায় না, এর জন্য প্রয়োজন আঠালো মাটি যা কুমারিরা মাটি নামে পরিচিত। এখানকার মাটি সাধারণত বেলে মাটি।


মৃৎ শিল্পের তথ্য চিত্রঃ
 

মূলধন (মাসিক)

শ্রমিক

মাসিক বিক্রি

১২-১৫ হাজার টাকা

৪/৫/৬ জন

নিম্নে ৮/১০ হাজার টাকা