মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিশেষ অর্জন

বিশেষ অর্জন

২০২১ সালে তথ্য প্রযুক্তিতেডিজিটাল বাংলাদেশ গড়াঃজেলা ওয়েবপোর্টাল অর্থাৎ জেলা তথ্য বাতায়ন চালু করাহয়েছে এবং সরকারিদপ্তরসমূহে ডিজিটাল গার্ড ফাইল খোলাহয়েছে। এছাড়া জেলার ৯টি উপজেলায়৮২টি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এতে তৃণমুলের জনগণতথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সরকারি সেবাসমূহসহজে এবং দ্রুত গ্রহণ করতেপারছে। এ সব তথ্য কেন্দ্রকে আরো গতিশীল করাসহ কাজেরপরিধি বৃদ্ধি করারপদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

জেলায় আইসিটিকমিটি গঠন সংক্রান্তঃপ্রত্যেকটি উপজেলায় আইসিটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইসিটি কমিটিরমাধ্যমেসকল ইউনিয়নে ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র চালুসহ ডিজিটাল বাংলাদেশবাস্তবায়ন তথারূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে। নিয়মিতভাবে আইসিটিকমিটির সভা করেবিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপগ্রহণ করাহচ্ছে।

২০১৪ সালে নিরক্ষরতামুক্তবাংলাদেশ গড়াঃ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরতা মুক্ত বাংলাদেশএবং ২০১০ সালের মধ্যে ১০০%Enrollment নিশ্চিতকরার লক্ষ্যে জরীপ কার্যক্রম বছরের শুরুতে সম্পন্নকরা হয়েছে। নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত অর্জিতস্বাক্ষরতার হার ৭৭.১৯%। এ জেলায়শিশুদের বিদ্যালয় গমনোপযোগী ১০০% এউন্নীত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

২০১০ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্তরেনীট ভর্তির হার ১০০% উন্নীতকরণঃযে সকলশিশুর বয়স ৫-৬ বছর তাদেরকে স্কুলে ভর্তির জন্য অভিভাবকগণকেশিক্ষার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে স্কুলগামী করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।যাতে২০১১ সালের মধ্যে স্কুলগামী কোন শিশু স্কুলে ভর্তি বাকি না থাকে। এছাড়া স্থানীয়ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যেনাস্তার ব্যবস্থা করাহয়েছে এবং ঝরে পড়া রোধে ব্যবস্থা গৃহিত হয়েছে। অত্রজেলায় নভেম্বর ২০১০ পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরেনীট ভর্তির হার ৯২.৯২%।ভর্তির হার ১০০%-এ উন্নীতকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।বিগত ২০ মাসে এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

২০১৩ সালে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্তঅবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থাকরণঃঅবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে প্রাথমিক স্তরেছাত্রীদেরউপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া বিনামূল্যে মাধ্যমিক স্তরেছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পাঠ্য পুস্তক সরবরাহ করা হচ্ছে। ডিসেমবর ২০১০ মাসেরমধ্যেপ্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর হাতে বিনামুল্যপাঠ্যবই পৌঁছানোরবিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষাঅফিসারসহসংশ্লিষ্টদেরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্তঃজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত সভা করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জঙ্গিবাদ ওসন্ত্রাসবাদ কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটেসেদিকে তৎপরতা অব্যহত আছে। এছাড়াও জেলার প্রত্যেকটিউপজেলার প্রতিটিইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলা কমিটিকে শক্তিশালী করে এলাকার আইন শৃঙ্খলাপরিস্থিতিনিয়ন্ত্রণে রাখার কার্যক্রম অব্যাহত আছে। প্রত্যেক মসজিদে জুম্মার নামাজেরখুতবার সময় ০৫ মিনিট করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের কুফল সম্পর্কে অলোচনাকরাহচ্ছে।

সুশাসন নিশ্চিতকরণঃসুশাসন নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন বিভাগে সেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সিটিজেন চার্টার তৈরী করা হয়েছে। ইউনিয়ন তথ্যসেবাসমূহের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা প্রদাননিশ্চিত করা হয়েছে।

দুর্নীতি রোধকল্পে গৃহীতব্যবস্থাঃদুর্নীতি রোধকল্পে সামাজিকসচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম যেমন বিভিন্ন উঠানবৈঠক, ইউনিয়ন পরিষদে সভা এবংসমাবেশ করে জনগণকে সচেতন করার প্রচেষ্টাঅব্যাহত রয়েছে।

ঈভটীজিংপ্রতিরোধে কার্যক্রমঃঈভটীজিং(যৌন নিপীড়ন) বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক আকারে সামাজিক ব্যাধিতেছড়িয়ে পড়ায়ঈভটীজিং প্রতিরোধের বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণসহগণসচেতনতামূলক কার্যক্রমগ্রহণের লক্ষ্যে এ জেলা/উপজেলা কমিটি গঠন করত:নিয়মিত সভা করা হচেছ। উপজেলাপ্রতিটি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ইউয়িনেঈভটীজিংপ্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনেসাদা পোষাকেরপুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছ%Eমূল্যেখরিপ-১ (আনশ) ফসলফলানোর নিমিত্তে ১২,৯৫০ জন কৃষককে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ দেয়াহয়েছে।২০০৯-১০ অর্থ বছরে এ জেলায় বোরো উৎপাদন হয়েছে (চাউলে) ২,৪১,৬৮৩ মেঃ টন।২০১২ সালের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষকগণকেউদ্বুদ্ধকরণ, সুষম সারের ব্যবহার বৃদ্ধি, উফশী ফসলের আবাদ বৃদ্ধি ও উদ্ভিদসংরক্ষণকার্যক্রম জোরদারের জন্য জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনাকরে প্রয়োজনীয়ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ডিজেল ভর্তুকী এবং বিনামুল্যেসার বিতরণ মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

১১

২০২১ সালে দারিদ্রের হারহ্রাসকরণঃ২০০৯-১০ অর্থ বছরে দারিদ্রবিমোচন কর্মসূচি গ্রহণকল্পে সামাজিকনিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় কাবিখা প্রকল্পে৭৭৫০.৮০৫ মেঃ টন খাদ্যশস্যদ্বারা ৯৭৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে কর্মহীন সময়ে বেকার জনগোষ্ঠিরকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টিআরকর্মসূচির মাধ্যমে ৮৭১৮.৪১০ মেঃটন খাদ্যশষ্য দ্বারা ৬৫৬৩টি প্রকল্প বাস্তবায়নকরা হয়েছে; যা বাজারনিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে অতি দরিদ্রদেরকর্মসংস্থানকর্মসূচির মাধ্যমে ১৪,৭০,৩৩,৬০০/- টাকা দ্বারা ৪৮১টি প্রকল্পবাস্তবায়নকরা হয়েছে এবং ৩৩,০২৮ জন শ্রমিককে ১০০ দিনের কর্মসংস্থান করা হয়েছে।২০১০-২০১১ অর্থ বছরে ৯০৮০ জন শ্রমিকের ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচিরমাধ্যমে৫,৪৪,৮০,০০০/- টাকার কাজ চলমান আছে; যা ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বরহতে আরম্ভ হয়ে ৩১ ডিসেম্বর কাজ সমাপ্ত হবে। ভিজিএফকর্মসূচির মাধ্যমে৮৬,৭৮১টি পরিবারকে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি হারে ১৭১৩.০০০ মেঃটনখাদ্যশস্য প্রদান করা হয়। ২০০৮-০৯ এর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর/২০১০ পর্যন্ত২৪ মাসে ভিজিডিকর্মসূচির আওতায় ৮১২১ পরিবারকে ৩০ কেজি হারে মোট ৫৮৪৭.১২০মেঃ টন খাদ্যশস্য প্রদান করে এসব পরিবারকে স্বাবলমবী করা হয়।৬৬১বান্ডিল ঢেউটিন বিনামূল্যে ৬৬১টি পরিবারকে প্রদান করা হয়েছে। অতিদ্ররিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্পটি সঠিক ও স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়নেরলক্ষ্যে কাবিখা প্রকল্প, টিআর, প্রকল্প এবং ভিজিএফ প্রকল্প সঠিকভাবেবাস্তবায়নকরা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পিআইও এবং ট্যাগ অফিসারসহসংশ্লিষ্টদেরমাধ্যমে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।

১২

২০১৩ সালে বার্ষিক অর্থনৈতিকপ্রবৃদ্ধি ডাবল ডিজিটে উন্নীতকরণঃ২০১৩সালের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনেরলক্ষ্যে গ্রামীণঅবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তাজোরদারকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকরণ, শিক্ষার মান উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষানিশ্চিতকরণ, আইন শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা, তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন, দুর্নীতিদূরীকরণসুশাসন নিশ্চিতকরণ, জনগণের নিকট দ্রুত সরকারি সেবা পৌঁছানো ইত্যাদিকার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে নির্দেশনা দেয়াহয়েছেএবং নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তৎবিষয়ে মনিটরিং করাহচ্ছে।

১৩

২০২১ সালে বেকারত্ব হ্রাসকরণঃযুব সমাজের কর্মসংস্থানের নিমিত্তে বেকার যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করারলক্ষ্যে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ২৮৪৯ জন বেকারযুবক-যুবতীকে হাঁস-মুরগী, গবাদিপশুপালন ও মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণ প্রদান করাহয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থ বছরেপ্রায় ২১৭৬ জনকে ৩,৩৫,১৫,০০০/- টাকা ঋণ বিতরণ করাহয়েছে। এছাড়ামৎস্যজীবিদের চার মাসের খাদ্যের ব্যবস্থা গৃহিত হয়েছে।

১৪

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধঃদ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি বাজার জেলা ও উপজেলা খাদ্যকর্মকর্তাকর্তৃক নিয়মিতভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমেভেজাল বিরোধীঅভিযানসহ ভোক্তা অধিকার আইন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। বাজারমনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা আরো জোরদার করা হয়েছে।

১৫

স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানীয় জলসরবরাহ সংক্রান্তঃ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকেস্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থারআওতায় আনয়নের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত অর্জিতজেলায় স্যানিটেশন কভারেজ ৮২%।এছাড়া বর্তমানসময় পর্যন্ত তিন রিং বিশিষ্ট স্যানিটারী লেট্রিন ৩,৫৪০টিস্থাপনকাজ আরম্ভহয়েছে। বিগত ২০০৮ এর ডিসেমবরে এ হার ছিল ৭৮%। এ জেলাকে১০০% স্যানিটাইজড জেলাহিসেবে উন্নীত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

১৬

২০১১ সালেরমধ্যে দেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পানিরসু-বন্দোবস্তকরণঃ

এ জেলায় এ লক্ষ্যমাত্রাটিবাস্তবায়নের অগ্রগতিঃ

অত্র জেলার নলকূপের সংখ্যা হচ্ছে৪২,৩১৬টি।

সুপেয় পানির কভারেজ ৮৩%

বিগত ২০০৮ এর ডিসেম্বরে এ হার ছিল ৭৪%।

১৭

সংক্রামক ব্যাধি রোধকল্পে গৃহীতকার্যক্রমঃসংক্রামক ব্যাধি রোধকল্পে ইপিআই কার্যক্রম ভিটামিন এ ক্যাপসুল, কৃমিনাশকঔষধ ও টিকাদান কর্মসূচিঅব্যাহত আছে। বার্ড ফ্লু এবং এ্যানথ্রাক্সপ্রতিরোধে সচেতনমূলক কার্যক্রম গ্রহণকরা হয়েছে।

১৮

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পঃদারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যে গৃহীত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটিসরকারিনীতিমালার আলোকে যথাযথভাবে বাস্তবায়নেরপদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

১৯

২০২১ সালে প্রজনন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ৮০ শতাংশে উন্নীত করাঃএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিম্নোক্ত সূচকসমূহেরঅগ্রগতি নিম্নে প্রদত্ত হলো।

২০

সক্ষম দম্পতি

:

৪,৯০,৯২৬জন

মোট পদ্ধতি গ্রহণকারী

:

৩৪৭৩৪৯ জন

স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণকারী হার

:

৭.৭৮%

পুরুষ

:

১.১৫%

মহিলা

:

৬.৬৩%

অস্থায়ী পদ্ধতিঃ

খাবার বড়ি গ্রহণের হার

:

৩৫.৮১%

কনডম

:

৭.০৩%

ইনজেকশন

:

১৬.৫৭%

আইওডি

:

২.৬৭%

ইমপ্ল্যান্ট

:

০.৮৯%

স্থায়ী এবং অস্থায়ী পদ্ধতি মিলিয়েমোট প্রজনন নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার৭০.৫৬%

২১

মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা প্রদানঃজেলা ও উপজেলা কমান্ড কাউন্সিলনির্বাচন সম্পন্নের পর তাঁদেরকেসকলউন্নয়ন কাজে সম্পৃক্তকরণসহ দরিদ্র ও দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিকসহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

২২

২০২১ সালে শিশু মৃত্যুরহার হাজারে ৫৪ থেকে কমিয়ে ১৫ করাঃপ্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার ৪০ জন ২০২১ সালের মধ্যেই সরকার ঘোষিতলক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিশুমৃত্যুরহার কমানোর ধারা অব্যাহত আছে।

২৩

২০২১ সালে মাতৃ মৃত্যুর হার ৩.৮%থেকে কমিয়ে ১.৫%করাঃমাতৃ মৃত্যুহার বর্তমানে ৩.২%। ২০২১ সালের মধ্যেই সরকার ঘোষিতলক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে। মহিলা বিষয়কঅধিদপ্তরের মাধ্যমে মাতৃত্বকালীনভাতাপ্রদানপূর্বক গর্ভবর্তী মায়ের মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস অব্যাহত আছে।

২৪

বৃক্ষরোপনঃএ জেলার সকল সরকারি সড়ক/রাস্তায় এবং পরিত্যক্তজায়গায় ফলজ, বনজ ও ঔষধিগাছের চারা রোপন করে বনায়ন করা হচ্ছে। বৃক্ষরোপন করেবনায়নের মাধ্যমে কিকি সুফল পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিভাবে মোকাবেলাকরা যায় সেবিষয়ে জনগণকে অবহিত করা হচ্ছে।

২৫

মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির লক্ষ্যেগৃহীত কার্যক্রমঃহাসপাতালে চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।মানুষের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম আরো গতিশীলওআন্তরিক করা হচ্ছে। যাতে বিনা চিকিৎসায় কেউ মৃত্যুবরণ না করে।

২৬

নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিরমাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নঃএলজিইডির অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় দুঃস্থ মহিলাদের জনকর্মসংস্থানসুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। উক্ত মহিলা শ্রমিকদেরকে কারিগরি বিষয় এবংআয়বর্ধক কর্মকান্ড গ্রহণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রদানেরব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৭

দারিদ্র বিমোচনও নারীর ক্ষমতায়ন ঋণ বিতরণঃদারিদ্র বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়কঅধিদপ্তর, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা, সমবায়সহ অন্যান্য ঋণ বিতরণকারীপ্রতিষ্ঠান থেকেসহজে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২৮

বাল্য বিবাহ রোধঃঅত্র জেলা ও উপজেলায়বাল্য বিবাহ শূণ্যের কোটায় আনার জন্য ব্যাপকপ্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।তজ্জ্বন্য জেলার প্রত্যেক উপজেলার বিভিন্নইউনিয়নে মসজিদের ইমাম, জনপ্রতিনিধি ওগণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়েসভা-সমাবেশ র‌্যালি করা হচ্ছে। প্রত্যেকওয়ার্ডে ইউপি সদস্য এবংগ্রাম-পুলিশকে সর্তক রাখা হয়েছে। যাতে করে বাল্য বিবাহসংঘটিত না হয়।বাল্য বিবাহের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহপ্রয়োজনীয়আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদেরনির্দেশনাদেয়া রয়েছে।

২৯

খাস জমি বন্টনঃচলতি বছরেও এ জেলায় ভূমিহীন পরিবারেরমাঝে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

৩০

শিশু শ্রম বন্ধঃশিশু শ্রম বন্ধ ও জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেবিভিন্নপদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এর অংশ হিসেবে এ জেলার বিভিন্ন উপজেলায়শিশুপার্ক ও বিনোদনমূলক স্থান তৈরীরকাজ প্রক্রিয়াধীন।

৩১

যৌতুক প্রথাঃঅত্র জেলায় যৌতুক প্রথা বন্ধের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য জেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের মসজিদের ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সভা-সমাবেশ করে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। জেলারপ্রত্যেক উপজেলার ইউনিয়নের প্রত্যেকওয়ার্ডে ইউপি সদস্য এবং গ্রামপুলিশকে এ বিষয়ে তাগিদ দেয়া হয়েছে। যাতে করে কোথাওযৌতুক লেনদেনেরমাধ্যমে বিবাহ কার্য অনুষ্ঠিত না হয়।

 

এছাড়াক্রীড়া উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পেরবিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইহা মহোদয়ের সদয়অবগতি ও পরবর্তীকার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো।


Share with :

Facebook Twitter