মেনু নির্বাচন করুন

ইনোভেশন কর্নার



১. ইনোভেশন সংক্রান্ত বাৎসরিক কর্মপরিকল্পনা-২০১৭

ইনোভেশনসংক্রান্তবাৎসরিককর্মপরিকল্পনা-২০১৭

ইনোভেশনসংক্রান্তবাৎসরিককর্মপরিকল্পনা

জেলাপ্রশাসকেরকার্যালয়,নোয়াখালী

বিবেচ্যসালঃ২০১৭

ক্র

নং

বিষয়

প্রসত্মাবিতবিষয়

গৃহীতব্যকাজেরনাম

বাসত্মবায়নকাল

দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তা

প্রত্যাশিতফলাফল

কাজটিসম্পন্নহলেগুণগতবাপরিমাণগতকীপরিবর্তনআসবে

পরিমাপ

(প্রত্যাশিতফলাফলতৈরীহয়েছেকিনাতাপরিমাপেরমানদন্ড)

শুরম্নরতারিখ

সমাপ্তিরতারিখ

০১

০২

1

নিজঅফিসেরসেবাসহজীকরণঅথবাসেবায়ইনোভেশন

 

 

 

 

জেলারসকলউপজেলাভূমিঅফিসেঅটোমেশনব্যবস্থাচালুকরণ

০১মার্চ

২০১৭

3১wW‡m¤^i, 201৭

অতিরিক্তজেলাপ্রশাসক(রাজস্ব) এবংসহকারীকমিশনার(ভূমি), সকল, নোয়াখালী

সময়, খরচওসাক্ষাতকমবে

ফলাফল

2

গ্রামপুলিশেরডাটাবেসতৈরি

০১মার্চ২০১৭

3১wW‡m¤^i, 201৭

উপপরিচালক, স্থানীয়সরকারবিভাগওউপজেলানির্বাহীঅফিসার(সকল), নোয়াখালী

সময়, খরচওসাক্ষাতকমবে

ইনোভেশনটীমেরকার্যবিবরণীওঅনুমোদনসংক্রামত্মকাগজপত্র

3

অনলাইনহাজিরা

১জানুয়ারী,

২০১7

৩১মার্চ, ২০১7

অতিরিক্তজেলাপ্রশাসক(সার্বিক), নোয়াখালী

কর্মচারীরাঅফিসেযথাসময়েআসবেএবংহাজিরারতথ্যঅনলাইনেজানাযাবেএবংকর্মচারীরতথ্যাদিসংরক্ষিতথাকবে

জেলাপ্রশাসকমহোদয়েরঅনুমোদনগ্রহণসংক্রান্তদলিল

4

প্রবাসীদেরডাটাবেসতৈরি

ডিসেম্বর

2017

১wW‡m¤^i, 201৭

অতিরিক্তজেলাপ্রশাসক(সার্বিক)এবংসহকারীপরিচালক,

শ্রমওকর্মসংস্থানব্যুরো, চাঁদপুর

সময়, খরচওসাক্ষাতকমবে

প্রবাসীদেরডাটাবেসতৈরি

5

 

‡Rjv †iKW© iæg‡K wWwRUvj Kiv 

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

অতিরিক্তজেলাপ্রশাসক(ivR¯^),†iwfby¨ †WcywU Kv‡j±i, fvicÖvß Kg©KZ©v, †Rjv †iKW©iæg  

  

6

ই-সেবাওইফাইলিংকার্যক্রম

ই-নথিব্যবহারেশতভাগলগইননিশ্চিতকরা

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

কর্মচারীদেরকাজেস্বচ্ছতাআসবেএবংদক্ষতাবৃদ্ধিপাবে

সেবাপ্রক্রিয়াব্যবহৃতদলিলপত্র/কনটেনসমূহ

7

সকলশাখারফাইলসমূহইফাইলেরমাধ্যমেনিষ্পত্তিশুiæ করা

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

সংশ্লিষ্টশাখারদায়িত্বপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা

নতুনপদ্ধতিতেসেবাপ্রদানশুiæ

সকলশাখারকাজই-ফাইলিংএরমাধ্যমে  সম্পন্ন

8

ই-নথি e¨invi ব্যবহারে সেরা সহকারি কমিশনার, অফিস সহকারি, উচ্চমান

সহকারিকে মাসিক স্টাফ মিটিং এ পুরস্কৃত করা

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

জনাবসুব্রতকুমারদে(জেলাইনোভেশনঅফিসার), সহকারীকমিশনার(আইসিটি) এবংসহকারীপ্রোগ্রামার

কর্মচারীদের কাজে আগ্রহ বাড়বে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে

 

9

আইডিয়াম্যানেজমেন্টওস্কেলআপ

সেবাসমূহঅধিকতরজনবান্ধবকরারলক্ষেসকলপর্যায়েরকর্মকর্তাওকর্মচারিদেরনিকটহতেউদ্ভাবনীধারণানিয়মিতপ্রাপ্তিরউদ্দেশ্যেটেন্ডারবক্সেরঅনুরূপজেলাপ্রশাসনেরফেসবুকইনোভেশনবক্সচালুকরা

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

আইডিয়াবক্সস্থাপন

আইডিয়াবক্সের  ছবি

10

 

প্রতিমাসেবাছাইকরেপ্রাপ্তআইডিয়াসমূহবাসত্মবায়নকরারপ্রয়োজনীয়অনুমোদনগ্রহণওবাসত্মবায়ন

পরবর্তীমাসের০৫তারিখ

পরবর্তীমাসের২০তারিখ

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

অনুমোদিতওবাসত্মবায়িতআইডিয়া

অনুমোদনওবাস্তবায়নসংক্রান্তডকুমেন্ট

11

 

জেলাপ্রশাসনেরকর্মকর্তাগণকর্তৃকবাসত্মবায়িতআইডিয়াপর্যালোচনারপরসারাদেশেবাসত্মবায়নকরা(স্কেলআপ)

০১নভেম্বর২০১7

৩১ডিসেম্বর  ২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

সারাদেশেবাসত্মবায়িতআইডিয়া

সারাদেশেআইডিয়াবাস্তবায়নসংক্রান্তডকুমেন্ট

12

অধxb¯Í অফিসেরইনোভেশনকার্যক্রমতদারকি

সকলদপ্তরওঅধিদপ্তরেরইনোভেশনটিমসমূহসক্রিয়করাএবংপ্রতিমাসেইনোভেশনটিমসমূহেরসভানিশ্চিতকরা

১৫জুলাই২০১7

১৫আগস্ট২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

উপজেলাইনোভেশনটিমসমূহেরসভাঅনুষ্ঠিত

সভারকার্যবিবরণী

13

জেলাপ্রশাসনেরঅধীনদপ্তরসমূহহতেইনোভেশনসংক্রামত্মবার্ষিককর্মপরিকল্পনাপ্রণয়ননিশ্চিতকরা, কর্মপরিকল্পনাপর্যালোচনাকরাএবংপ্রয়োজনীয়পরামর্শপ্রদানকরা

০১ফেব্রুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর  ২০১৭

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

কর্মপরিকল্পনাপ্রণীত

প্রণীতকর্মপরিকল্পনা

14

 

জেলা মার্কেটিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে মার্কেটিং লাইসেন্স গ্রহণকারী সকল ব্যবসায়ীদের ডাটাবেসতৈরি।

০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

৩১ ডিসেম্বর  ২০১৭

জেলা মার্কেটিং অফিসার

চলমান

ডাটাবেস তৈরি

15

ট্রেনিং

৬০জনকর্মকর্তাওকর্মচারীদেরজন্যইনোভেশনসংক্রামত্মপ্রশিক্ষণেরআয়োজনকরা

১৫জুলাই২০১7

১৫সেপ্টেম্বর২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

৬০জনকর্মকর্তাওকর্মচারিরজন্যইনোভেশনসংক্রামত্মপ্রশিক্ষণেরসম্পন্নকরা

প্রশিক্ষণপ্রাপ্তকর্মকর্তাগণেরনামেরতালিকা

16

প্রয়োজনেউদ্ভাবনীউদ্যোগবাস্তবায়নকারীদেরনিবিড়প্রশিক্ষণেরব্যবস্থাকরা

০১ফেব্রুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর  ২০১৭

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

চলমান

প্রশিক্ষণপ্রাপ্তকর্মকর্তাগণেরনামেরতালিকা

17

ইনোভেটরদেরআর্থিকসহায়তাপ্রদান

নোয়াখালীজেলারসরকারিদপ্তরেরইনোভেটরদেরআর্থিকসহায়তাপ্রদানেরজন্যসহায়তাফান্ডগঠন

০১জুলাই২০১7

৩০সেপ্টেম্বর২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

ফান্ডগঠনসম্পন্ন

প্রয়োজনীয়অফিসআদেশএবংঅন্যান্যডকুমেন্ট

18

পুরস্কারওডিওপ্রদান

নোয়াখালীজেলারআওতাধীনদপ্তরসমূহেকর্মরতআইডিয়াপ্রদানকারীসেরাকর্মকর্তা- কর্মচারীদেরমধ্যেপুরস্কারওডিও  প্রদান

১৫ডিসেম্বর২০১7

৩১ডিসেম্বর  ২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

চলমান

অন্যান্যডকুমেন্ট

19

পার্টনারশীপ বা নেটওয়াকিং

সকল দপ্তরের সাথে নেট মিটিং চালুকরণ

০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

৩১ ডিসেম্বর  ২০১৭

জনাব সুব্রত কুমার দে(জেলা ইনোভেশন অফিসার), সহকারী কমিশনার (আইসিটি) এবং সহকারী প্রোগ্রামার

চলমান

অন্যান্য ডকুমেন্ট

20

ইউডিসিরআধুনিকায়ন

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

উপজেলানির্বাহীঅফিসার(সকল),

  

21

সকলকর্মকর্তাকেআইসিটিবান্ধবকরারউদ্যোগগ্রহণ

০১জানুয়ারি২০১৭

৩১ডিসেম্বর, ২০১৭

সহকারীকমিশনার, আইসিটিশাখাওসহকারীপ্রোগ্রামার

সময়, খরচওসাক্ষাতকমবে

প্রক্রিয়াধীন

22

সোস্যাল মিডিয়ার ব্যবহার

সকল সরকারি দপ্তরকে সোশ্যাল মিডিয়া(ফেসবুক গ্রুপে) অন্তর্ভুক্তি

০১ জানুয়ারি ২০১৭

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭

জনাব সুব্রত কুমার দে(জেলা ইনোভেশন অফিসার), সহকারী কমিশনার (আইসিটি) এবং সহকারী প্রোগ্রামার

সময়, খরচ ও সাক্ষাত কমবে

 

23

জেলার একই বিষয়ের সকল শিক্ষককে একটি ফেসবুক গ্রুপে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান চর্চার সুযোগ সৃষ্টি।

০১ জানুয়ারি ২০১৭

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭

জনাব সুব্রত কুমার দে(জেলা ইনোভেশন অফিসার), সহকারী কমিশনার (আইসিটি), জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সহকারী প্রোগ্রামার

ময়, খরচ ও সাক্ষাত কমবে

 

24

সেবায়উদ্ভাবনপ্রক্রিয়ারবিষয়েমতামতগ্রহণেরজন্যই-মেইলব্যবহারেরপাশাপাশিঅন্যান্যসামাজিকমাধ্যমেরব্যবহারনিশ্চিতকরারসম্ভাব্যতাযাচাইকরাহবে

২৫জুলাই  ২০১7

২৫আগস্ট২০১7

জনাবসুব্রতকুমারদে

জেলাইনোভেশনঅফিসার

সোস্যালমিডিয়ারকার্যকরব্যবহারনিশ্চিতকরারজন্যপ্রয়োজনীয়ব্যবস্থাগ্রহণ(যেমন-ফেসবুকপেইজখোলা)

জেলারওয়েবপোর্টালেসংশ্লিষ্টপেইজের লিংক

25

প্রকাশনাওডকুমেন্টেশন

সকলদপ্তরহতেপ্রাপ্তআইডিয়াসমূহসংরক্ষণকরা, ই- নিউজলেটারপ্রকাশকরা, সংশিস্নষ্টদেরনিকটই-মেইলেপ্রেরণকরাএবংসংরক্ষণকরাওওয়েবসাইটেপ্রকাশকরা

২৫জুলাই  ২০১7

৩১ডিসেম্বর২০১7

সহকারীকমিশনার,  আইসিটিশাখা

ডকুমেন্টপ্রকাশিতহওয়া

প্রকাশিতডকুমেন্ট

২. শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা ২০১৬–১৭

শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা ২০১৬–১৭

 

ক্রমিক নং

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদন সূচক/লক্ষ্য

সময়

দায়িত্ব

সহায়তাকারী

০১.

সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা

১.১ স্থানীয় নৈতিকতা কমিটি গঠন

গঠিত

২৫.৭.২০১৬

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

১.২ স্থানীয় নৈতিকতা কমিটি এর নিয়মিত সভা আয়োজন

প্রতি তিন মাস অন্তর

নৈতিকতা কমিটি

আর.ডি.সি

১.৩ স্থানীয় পর্যায়ে শুদ্ধাচার ও সুশাসনের সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে আলোচনা সভা

প্রতি তিন মাস অন্তর

নৈতিকতা কমিটি

আর.ডি.সি

১.৪ ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ

নিয়োগকৃত

২৫.৭.২০১৬

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

০২.

সচেতনতা বৃদ্ধি ও সেবার মান উন্নীতকরণ

২.১ শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা/উপ–সহকারী কর্মকর্তা/কানুনগো/ সার্ভেয়ার/অফিস সহকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান

মোট জনবলের সংখ্যা

প্রতি মাসে ২০ জনের একটি টিম

জেলা প্রশাসক

আর.ডি.সি

২.২ শুদ্ধাচার বিষয়ে শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ

 

প্রতি মাসে একটি শাখা

জেলা প্রশাসক

আর.ডি.সি

২.৩ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

০৯

বছরে একবার

 

আর.ডি.সি

২.৪ সিটিজেন চার্টার প্রবর্তন

প্রবর্তিত

৩ মাস

জেলা প্রশাসক

শাখা প্রধান

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

ইউএলএও

২.৫ ওয়েব সাইট হালনাগাদকরণ

হালনাগাদাকৃত

প্রতি মাসের ১ তারিখ

জেলা প্রশাসক

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

আর.ডি.সি

সহকারী প্রোগ্রামার

০৩.

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

৩.১ অভিযোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ ও জনগণকে অবহিতকরণ

০১

৩০.৭.১৬

জেলা প্রশাসক

আর.ডি.সি

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

৩.২  দ্রততম সময়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি

চলমান

সিটিজেন চার্টার–এ নির্ধারিত সময়

জেলা প্রশাসক

আর.ডি.সি

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৩.৩ কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত ভাবে কর্মস্থলে উপস্থিতির নিমিত্ত ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালুকরণ

চালুকৃত

বাস্তবায়িত

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক–(সকল)

৩.৪ অর্থ বছরের শুরুতেই বিগত অর্থ বছরের কর্ম দক্ষতা ও নৈতিকতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যবিবরণীরে লিপিবদ্ধকরণ (কার্যক্রমে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে) 

চালুকৃত

চলমান (জুলাই ২০১৬)

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

৩.৫ ক্লায়ন্ট ফিডব্যাক কার্যক্রম (কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সেবা প্রদানের আন্তরিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে) 

হেল্প ডেস্ক ও সেবা গ্রহীতাদের মতামত প্রদানের লক্ষ্যে বক্স স্থাপন

চলমান (আগস্ট ২০১৬)

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক–(সকল)

৩.৬ জেলা পর্যায়ে ও উপজেলা পর্যায়ে গণশুনানী 

চলমান

প্রতি বুধবার

জেলা প্রশাসক

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক–(সকল)

০৪.

ইনোভেশন

৪.১ ইনোভেশন টিম গঠন

গঠিত

জুলাই ২০১৬

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

 

৪.২ ইনোভশন টিম সম্পর্কিত সভা

প্রতি 3 মাস অন্তর

ইনোভেশন টিম

 

৪.৩ মনিটরিং এর উদ্দেশ্যে রাজস্ব শাখা ও রেকর্ডরুম শাখায় সিসিটিভি স্থাপন 

স্থাপিত

ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত

জেলা প্রশাসক

আইসিটি শাখা

৪.৪ উপজেলা ভূমি অফিসের রেকর্ডরুম ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ও ডাটাবেজ তৈরী

ডাটাবেজ তৈরী ও পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজানো

বাস্তবায়িত

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

০৫.

কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষন

৫.১ শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন

১০০%

জুন ২০১৭

নৈতিকতা কমিটি

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

আর.ডি.সি

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

৫.২ পরিকল্পনা হালনাগাদকরণ এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ

প্রকাশিত

প্রতি ৬ মাস অন্তর

নৈতিকতা কমিটি

সহকারী প্রোগ্রামার

৫.৩ শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রতিবেদন প্রণয়ন ও ভূমি সংস্কার বোর্ডে প্রেরণ

প্রেরিত

প্রতি ৩ মাস অন্তর (জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই)

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

আর.ডি.সি

 

 
 

আহমদ কবীর

অরিতিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

নোয়াখালী


রিপোর্ট

১. প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের উৎকর্ষ সাধন,বদরে মুনির ফেরদৌস জেলাপ্রশাসক নোয়াখালী

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের উৎকর্ষ সাধন

বদরে মুনির ফেরদৌস

জেলাপ্রশাসক

নোয়াখালী

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ

  • ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠন এবং উন্নয়নের ধারাকে টেকসই করতে বর্তমান প্রজন্মকে যোগ্য করে গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত পরবর্তনশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের শিশুদের বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
  • এজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়েঅধ্যয়নরতশিশুদের মেধাবিকাশ এ শারীরিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করে যোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও সুশীল করে গড়ে তোলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে মিড ডে মিল চালুকরণসহ শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক মননশীলতার দিকে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়

  • শিশুর মেধা বিকাশের বুনিয়াদ গঠন হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই।
  • এই সময়টাতে শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক গঠন যথাযথ হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
  • শিশুদের যথাযথ শারীরিক এবং মানসিক গঠনে পাঠক্রমের পাশপাশি যে বিষয়গুলোতে আমাদের অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে t 

ü              শিশুর খাদ্য ও পুষ্টি

ü              সুস্বাস্থ্য

ü              পরিচ্ছন্নতাবোধ

ü              শৃংখলা 

ü              ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি

মিড ডে মিল ও অন্যান্য

ü  আমাদের  দেশে৭০% মানুষ গ্রামে বাস করে, যাদের সন্তানেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। গ্রাম-শহর মিলিয়ে প্রায় ৮০% পরিবারের শিশুদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে হয়। 

ü  এর মাঝে বিশেষত ৩য়- ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিশুদের অধিকাংশেরই মেধার যথাযথ বিকাশ ঘটে না। কারণ, অধিকাংশ বাচ্চাই দুপুরে সময়টাতে না খেয়ে থাকে। ফলে অপুষ্টির শিকারসহ শারীরিক, মানসিক ও মেধার বিকাশে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। ফলে একসময় স্কুল থেকে ঝরে যায় অথবা বেশিদুর পড়াশুনা এগুতে পারে না।

ü  মিড ডে মিল পদ্ধতি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও মেধার বিকাশসহ সামগ্রিক বিকাশের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে।

শিশুদের সৃজনশীল ও মননশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শুদ্ধাচারসহ যেসব বিষয়ে অবশ্যই নজর দিতে হবে সেগুলো t

ü           প্রত্যেকটি স্কুলে ফুলের বাগান করা

ü            একই সাথে স্কুলের পরিবেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা

ü            শিক্ষার্থীদের একই রঙের পরিচ্ছন্ন পোশাক (ইউনিফর্ম) ব্যবহার করা

ü            পরিচ্ছন্ন পোশাক (ইউনিফর্ম) ব্যবহার

ü            খাওয়ার আগে বিজ্ঞান্সম্মতভাবে হাত ধুয়া

ü            নিয়মিত নখ কাটা

ü            সময়ানুবর্তিতা

মিড ডে মিল কেন প্রয়োজন?

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (বিশেষ করে ৩য়- ৫ম শ্রেণী)দীর্ঘক্ষণ স্কুলে না খেয়ে থাকার কারণে বাচ্চাদের শারীরিক, মানসিক বিকাশসহ মেধার বিকাশে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। যার ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় কাংক্ষিত লক্ষ্য আমরা অর্জন করতে পারছি না।
  • শিশুর মেধার বুনিয়াদ গঠনই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে, যা আমদের জাতীয় মেধাশক্তিকে চ্যালেঞ্জের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
  • আগামীর প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বের যোগ্য প্রতিযোগী হয়ে গড়ে উঠছে না।
  • তাছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় আমাদের কাংক্ষিত লক্ষ্যও অর্জিত হচ্ছে না। এর পেছনে মূল চ্যালেঞ্জসমূহ হলঃ

ü        স্কুলে দুপুরে না খেয়ে দূর্বল হয়ে পড়া,

ü        পড়াশুনায় অমনোযোগিতা,

ü        অসুস্থতার অজুহাতে স্কুল পালানো,

ü        ক্লাসে কম উপস্থতিতি

ü        ঝরে পড়া

ü        শতভাগ এনরোলম্যান্ট না হওয়া

  •  অথচ মিড ডে মিলের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার এই চ্যালেঞ্জসমূহ কার্যকরভাবে দূরীভুত করা সম্ভব। এটা এখন প্রমাণিত।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের উৎকর্ষ সাধনে
নোয়াখালী জেলার অগ্রযাত্রা

মিড ডে মিল :নোয়াখালীর অগ্রযাত্রা

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে মিড ডে মিল চালুর ক্ষেত্রে নোয়াখালী জেলার সাফল্য এককথায় অবিশ্বাস্য। এ যাবৎ(জুন, ২০১৬) জেলার ৯০.২১% প্রাথমিক বিদ্যালয় মিড ডে মিলের আওতায় এসেছে এবং তা কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা এমনকি সরকারের এক টাকাও অনুদান ব্যতীত।
  • সরকারি/বেসরকারি কোনরকম অর্থায়ন ছাড়াও যে শতভাগ মিড ডে মিল বাস্তবায়ন সম্ভব, তা নোয়াখালী জেলা করে দেখিয়েছে। এটা অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবেই তা ঘটেছে, যা সম্ভব তবে চ্যালেঞ্জিং।
  • ফলশ্রুতিতে নোয়াখালী জেলার প্রাথমিক শিক্ষায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষার মূল চ্যালেঞ্জসমূহ এখন নোয়াখালীতে অস্থিত্বহীন। উল্লেখ্য, নোয়াখালী জেলায় বর্তমানে প্রাথমিকে ভর্তির হার ৯৯.০৬ ভাগ

কাভারেজ/বাস্তবায়নের হার

•       এ পর্যন্ত নোয়াখালী জেলার ১২৭৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৫২ টি বিদ্যালয়েমিড ডে মিল চালু আছে

•       এটি মোট বিদ্যালয়ের ৯০.২১%   

•       জেলার ৯ টি উপজেলার মধ্যে ২ টি উপজেলায় (সদর, সুবর্ণচর) শতভাগ বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু আছে

•       অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য ক্ষেত্রমত ৫৭,৯০০ টিফিন বক্স শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে

•       আগামী আগষ্ট, ২০১৬ মাসেই শতভাগ বিদ্যালয়ে চালু হবে 

•       কাভারেজ (বাস্তবায়ন হার)

 

 

 

মিড ডে মিল বাস্তবায়নে কি অনেক অর্থের প্রয়োজন?

•       সরকারি / বেসরকারি অর্থায়নে যদি মিড ডে মিল বাস্তবায়ন করা হলে বছরে  বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় হবে এবং তাছাড়া এত অর্থ ব্যয় করে  এর বাস্তবায়ন কতটা টেকসই হবে তা প্রশ্নবিদ্ধ 

•       নোয়াখলী জেলার প্রেক্ষাপটে যদি হিসাব করা হয় ,৪০,৭১১জন শিক্ষার্থীর জন্য বছরে ১০০ কোটি  টাকার বেশি  খরচ হবে। 

•       মিড ডে মিল প্রবর্তনের ক্ষেত্রে অগ্রগন্য আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে গত অর্থবছরে বেসরকারি অর্থায়ন ছাড়াই সরকারের ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে। তাছাড়া FAO, UNICEF, CARE, WFPবছরে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরবেশি অর্থ ব্যয় করছে ভারতে মিড ডে মিল চালু রাখতে। ভারত তাদের ১২তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ৯০১.৫৫বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ রেখেছে।

•       এখন প্রশ্ন হলো এই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করে মিড ডে মিল পদ্ধতি কতটা বাস্তবায়নযোগ্য বা টেকসই হবে ?

মিড ডে মিল বাস্তবায়নে কি অনেক অর্থের প্রয়োজন? প্রেক্ষাপটঃ নোয়াখালী

•       সরকারি/বেসরকারি কোনরকম অর্থায়ন ছাড়াও যে শতভাগ মিড ডে মিল বাস্তবায়ন সম্ভব, তা নোয়াখালী জেলা করে দেখিয়েছে।

•       এটা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তা মোটেও অসম্ভব নয়, তবে চ্যালেঞ্জিং।

•        এ যাবত জেলার ৯০.২১% প্রাথমিক বিদ্যালয় মিড ডে মিলের আওতায় এসেছে এবং তা কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা এমনকি সরকারের এক টাকাও অনুদান ব্যতীত

কীভাবে সম্ভব হলো?

•       নোয়াখালী জেলায় মিড ডে মিল শতভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি উপজেলার প্রত্যেক স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় করা হয়েছে, উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তা গ্রহণ করেছেন।

•       মিড ডে মিলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সংশ্লিষ্টদের উপলব্ধি করানোর জন্য যে কার্যক্রমগুলো নিয়মিত করতে হয়েছেঃ

    মা সমাবেশ

    অভিভাবক সমাবেশ

    মতবিনিময়

    শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের মোটিভেশন

    সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনা, প্রণোদনা

    নিয়মিত মনিটরিং

     অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য ক্ষেত্রমত ৫৭,৯০০ টিফিন বক্স শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ

ফলাফল

•       এখন প্রত্যেক শিক্ষার্থী যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী তার বাড়িতে রান্না হওয়া খাবারের একটা অংশ বক্সে করে স্কুলে নিয়ে আসে দুপুরে খাওয়ার জন্য।

•       তারা একে অপরের সাথে শেয়ার করে খায়, ভাগ করে খায় জেলার ১২৭৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৫২ টি বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু আছে, যা মোট বিদ্যালয়ের ৯০.২১% ।

•       নোয়াখালী জেলায় বর্তমানে প্রাথমিকে ভর্তির হার ৯৯.০৬ ভাগ।

সুদুরপ্রসারী প্রভাব

     বাচ্চারা  যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী তার বাড়িতে রান্না হওয়া খাবার বক্সে করে স্কুলে নিয়ে আসে দুপুরে খাওয়ার জন্য:এ খাবার পদ্ধতি শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও মেধার বিকাশের পাশাপাশি তাদের জীবনবোধের উপর ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব রাখে।

•       তারা একে অপরের সাথে শেয়ার করে খায়, ভাগ করে খায়।

•       একটু ভাবলেই বুঝা যায়, এই পদ্ধতির মিড ডে মিলের অনেক সুদূর প্রসারী ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

•       কারণ যদি সরকারিভাবে তাদের এ খাবার দেওয়া হতো তাহলে তারা অন্যের মুখাপেক্ষী হতে শিখতো, হাত পাততে  শিখতো, স্বার্থপরতা শিখতো

•       অন্যদিকে তারা এখন অন্যকে দিতে শিখছে, শেয়ার করতে শিখছে, সহযোগিতা করতে শিখছে, যা থেকে ভবিষ্যতে তাদের মধ্যে এক অনন্য মননশীলতা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে উঠবে ।

গৃহীত অন্যান্য কার্যক্রম

     মিড ডে মিলের মাধ্যমে শিশুর শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি  মানসিক বিকাশ, নান্দনিক ও সৃজনশীল মননশীলতা গড়ে তোলার জন্য এ জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে আরো বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছেঃ

  • তাদের শেখানো হচ্ছে কীভাবে খাওয়ার আগে বিজ্ঞানসম্মতভাবে হাত ধুতে হয়
  • নিয়মিত নখ কাটার অভ্যাস গড়ে তোলা   
  • সপ্তাহে একদিন এসেম্বলিতে প্রত্যেক স্কুলে বাচ্চাদের চুল, নখ কাটা, পোশাকের পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত দাঁত মাজা পরীক্ষা করা হয়।
  • তাছাড়া জেলার যেসব উপজেলায় শতভাগ মিড ডে মিল কার্যকর হয়েছে সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের একই রঙের পরিচ্ছন্ন পোশাক (ইউনিফর্ম) ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • একই সঙ্গে স্কুলের পরিবেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্রত্যেকটি স্কুলে ফুলের বাগান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কিছু কথা

     প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চারা নিষ্পাপ, যেন স্বর্গের ফুল। এক্ষেত্রে ফুলের মত  নিষ্পাপ বাচ্চাদের নিয়ে একেকটি বিদ্যালয় হয়ে উঠতে পারে একেকটি স্বর্গের ফুলের বাগান। এটা শুধু কল্পনা নয়, নোয়াখালী জেলা এর বাস্তব উদাহরণ সৃষ্টির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেআর এ বাচ্চারাই একদিন বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে তথা ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার রূপকার হবে। তাই এদের যোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও সুশীল করে গড়ে তোলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে মিড ডে মিল চালুকরণসহ সামগ্রিক মননশীলতার দিকে আমাদের সকলের দৃষ্টি দেওয়া উচিত। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি নোয়াখালীর এ শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে সৎ, যোগ্য, মননশীল, পরস্পরের প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

২. মৎস্য পরামর্শ সেবায় যুগান্তকারী উদ্ভাবন - মোবাইল ‘অ্যাপ,সাধন চন্দ্র সরকার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নোয়াখালী সদর , নোয়াখালী

 

মৎস্য পরামর্শ সেবায় যুগান্তকারী উদ্ভাবন - মোবাইল  ‘অ্যাপ‘Fish Advice / মৎস্য পরামর্শ ’’

 

সাধন চন্দ্র সরকার

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা

নোয়াখালী   সদর , নোয়াখালী ।

মোবাইল – ০১৭১৮০০৫১৭৫

ই মেইল -sarkersc04@gmail.com

 

ভূমিকা

নোয়াখালী সদর উপজেলার সবচেয়ে প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী ইউনিয়ন আন্ডার চর । প্রতিনিয়ত  মৎস্য চাষিগণ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসে আসতেন । এতে তাদের সময় ও অর্থের অপচয় সহ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হতো । চিন্তা করতে লাগলাম কিভাবে তাদেরকে সহজে ও কম সময়ে পরামর্শ দেয়া যায় । এ ধরনের চিন্তাভাবনা থেকেই  সূচনা মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে মৎস্য সংক্রান্ত পরামর্শ সেবা মৎস্য চাষির দোরগোড়ায় পৌঁছানো শীর্ষক কার্যক্রমের । কার্যক্রমটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম ( এ টু আই ) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও মৎস্য অধিদপ্তরের আর্থিক  সহায়তায় নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলায় বাস্তবায়িত হয়েছে এবং সারা দেশে রেপ্লিকেশন  হচ্ছে ।

 

বিদ্যমান সেবাদান পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা

                          

নোয়াখালী সদর উপজেলার মৎস্য চাষিগণের  যাতায়াত ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে মৎস্য চাষ ও রোগবালাই সংক্রান্ত সমস্যার কারনে সঠিক সময়ে কাঙ্খিত  সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়া । 

 

সমাধান  পদ্ধতি

 

 

সমস্যাটির সমাধান কল্পে একটি মোবাইল এপ উদ্ভাবন করা হয়েছে যাতে মাছ ও চিংড়ির  চাষ পদ্ধতি , রোগবালাই বিভিন্ন সমস্যাবলীর সচিত্র সমাধান দেয়া আছে যা ব্যাবহার করে অতি সহজেই মৎস্য সংক্রান্ত যে কোন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া সম্ভব । অ্যাপটিতে  মাছের চাষ ৮ প্রজাতির,  মাছের রোগ ৬ টি , চিংড়ির রোগ ৯ টি , অন্যান্য সমস্যা ৭ টি এবং বিবিধ বিষয়াবলী ৬  টির  বর্ণনা রয়েছে । একজন মৎস্য চাষির এন্ড্রয়েড  মোবাইল না থাকলেও সে নিকটবর্তী ইউ ডি সি , মৎস্য খাদ্য বিক্রেতা, ঔষধ বিক্রেতা , অগ্রসরমান মৎস্য চাষির নিকট হতে পরামর্শ গ্রহন করতে পারবেন ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অ্যাপ ডাউনলোড পদ্ধতি

 

ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যে কোন এনড্রয়েড মোবাইলের প্লে স্টোরে গিয়ে “Fish Advice “ বা “মৎস্য পরামর্শ ” লিখে সার্চ দিলে অ্যাপ টি দেখা যাবে । ইন্সটল বাটনে ক্লিক করে ইন্সটল ও ডাউনলোড করা যাবে । অ্যাপ  টি এ পর্যন্ত নোয়াখালী জেলায় প্রায় ৭৬৩  জনকে প্রদান করা হয়েছে । ইন্টারনেট থেকে এ পর্যন্ত  ৭২৫ জন ডাউনলোড করেছেন । এর গড় রেটিং ৪,৯ ।

 

 

 অ্যাপ ডাউনলোড পদ্ধতি

পরবর্তী করণীয়

Ø  মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত ডাটা ভেলিডেশন কমিটি কর্তৃক  তথ্য সমূহ নিয়মিত ভেলিডেশন ও  আপডেট করা

Ø  মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষে কাজ করা । এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধিরা  ( LEAF) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ।

Ø  অ্যাপ   টি বিতরন ও ডাউনলোড সঠিক পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করা ।

 

 

 

মাননীয় সচিব ,মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক কেন্দ্রীয় ভাবে  মোবাইল অ্যাপ উদ্ভধন

ফলাফল

 

কার্যক্রমটি বাস্তবায়নের ফলে একজন মৎস্য চাষির সময় ৫০ % অর্থ ৭০ % ও যাতায়াত ৫০% সাশ্রয় হবে । ফলশ্রুতিতে জনদূভোগ  লাঘব হবে এবনং  কাঙ্খিত মৎস্য উৎপাদন সম্ভব হবে ।

 

উপসংহার

মৎস্য পরামর্শ বা Fish Advice  মোবাইল অ্যাপ টি মৎস্য চাষি ,মৎস্য খামারি , পোনা চাষি   মৎস্য খাদ্য বিক্রেতা, ঔষধ বিক্রেতা , অগ্রসরমান মৎস্য চাষি , ইউ ডি সি র উদ্যোক্তা , সম্প্রসারণ কর্মী সহ মৎস্য সংশ্লিষ্ট যে কেউ  ব্যাবহার করতে পারবেন ।এর ফলে মৎস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ  সরকারের রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ৪৫,৫২ লক্ষ মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদন লক্ষমাত্রা অর্জন তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে  এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে নিঃসন্দেহে ।

 

(ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে মৎস্য পরামর্শ সেবা পেতে ভিজিট করুন

http://www.facebook.com/fishadvice )

 

                                                 

                                                                                                  


টিম

১. ইনোভেশন কমিটি

চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ঢাকা এর সাথে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), নোয়াখালী কর্তৃক সম্পাদিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি  (APA) ২০১৬–১৭ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ইনোভেশন কমিটি

 

ইনোভেশন কমিটিঃ

 

১।         জেলা প্রশাসক, নোয়াখালী                                          –                     সভাপতি

২।         অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)                                 –                      সদস্য

৩।         সহকারী কমিশনার (ভূমি) (সকল)                                –                      সদস্য

৪।         ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, নোয়াখালী                               –                      সদস্য

৫।         রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী                            –                      সদস্য

৬।         রেকর্ডরুম ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী                            –                      সদস্য

৭।         সহকারী প্রোগ্রামার, জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়, নোয়াখালী       –                      সদস্য

৮।         ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রেভিনিউ মুন্সিখানা, নোয়াখালী              –                      সদস্য–সচিব

 

 

 

 

অনুপম বড়ুয়া

জেলাপ্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব)

নোয়াখালী

স্মারক নং–০০.৪২.৭৫০০.০২২.০০৫.০০১.১৬–                                                    তারিখ:

অনুলিপি– সদয় জ্ঞাতার্থে ও কার্যার্থে:–

১।         সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা

২।         চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ১৪১–১৪৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা

৩।         কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম

৪।         অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), নোয়াখালী

৫।         উপজেলা নির্বাহী অফিসার, –––––––––––––––––––(সকল), নোয়াখালী

৬।         সহকারী কমিশনার (ভূমি), –––––––––––––––––––(সকল), নোয়াখালী

৭।         ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, নোয়াখালী

৮।         ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রেভিনিউ মুন্সি খানা, নোয়াখালী

৯।         রেকর্ডরুম ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী

১০।        রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী

১১।        সহকারী প্রোগ্রামার, জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়, নোয়াখালী

 

 

জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব)

নোয়াখালী

২. জাতীয় শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নিয়োগ

২০১৬–১৭ অর্থ বছরের জাতীয় শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনার ০২ এর ১.৪ তে বর্ণিত ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালীকে নিয়োগ করা হল এবং ০৩ এর ৩.১ তে বর্ণিত অভিযোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ ও জনগণকে অবহিতকরণের জন্য এসএ শাখা, আর়এম শাখা, এল়এ শাখা, জেলা রেকর্ডরুম ও সার্টিফিকেট শাখায় নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে ফোকাল পয়েন্ট হিসাবে নিয়োগ করা হল।

ক্রমিক নং

শাখার নাম

নিয়োগকৃত কর্মকর্তা

এসএ শাখা

রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী

আর়এম শাখা

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আর়এম শাখা, নোয়াখালী

এলএ শাধা

ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, নোয়াখালী

জেলা রেকর্ডরুম

আর আর ডি সি, নোয়াখালী

জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা

জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসার, নোয়াখালী

 

 

 

অনুপম বড়ুয়া

জেলাপ্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব)

নোয়াখালী

স্মারক নং–০০.৪২.৭৫০০.০২২.০০৫.০০১.১৬–                                                    তারিখ:

অনুলিপি– সদয় জ্ঞাতার্থে ও কার্যার্থে:–

১।         সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা

২।         চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ১৪১–১৪৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা

৩।         কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম

৪।         অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), নোয়াখালী

৫।         উপজেলা নির্বাহী অফিসার, –––––––––––––––––––(সকল), নোয়াখালী

৬।         সহকারী কমিশনার (ভূমি), –––––––––––––––––––(সকল), নোয়াখালী

৭।         ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, নোয়াখালী

৮।         ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আর এম শাখা, নোয়াখালী

৯।         আর আর ডি সি, নোয়াখালী

১০।        রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, নোয়াখালী

১১।        জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসার, নোয়াখালী

 

 

জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্ব)

নোয়াখালী

সর্বমোট তথ্য: ৬